সিতারে জমিন পার: আমির খানের নতুন ছবি প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড়, বাজেট ৯০ কোটি টাকা!

Sitaare Zameen Par

 বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান ফিরেছেন নতুন এক মেগা প্রজেক্ট নিয়ে। “সিতারে জমিন পার” ছবিটি মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দিয়েছে। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া “তারے জামিন পার” ছবিটির স্পিরিচুয়াল সিক্যুয়েল এই ছবিটি স্পেনের “ক্যাম্পিওনেস” (২০১৮) ছবির অফিসিয়াল রিমেক। প্রথম দিনেই দেশজুড়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ কোটি রুপি আয় করেছে ছবিটি, যা ২০২৫ সালের শীর্ষ পাঁচটি ওপেনিং ডে কালেকশনের মধ্যে পড়ে।

প্রথম দিনের সংগ্রহ: বাণিজ্যিক ও প্রযোজকের দাবি

বাণিজ্যিক সূত্রে জানা গেছে, ছবিটি প্রথম দিনে ১১ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। অন্যদিকে, প্রযোজক পক্ষের দাবি, সংগ্রহ ১১-১২ কোটি রুপির মধ্যে রয়েছে। ২০২২ সালে আমির খানের “লাল সিং চাড্ডা” ছবিটি ১১.৫ কোটি রুপি নিয়ে শুরু করেছিল, কিন্তু পরে তা দর্শকদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়। তবে “সিতারে জমিন পার” ইতিমধ্যেই ইতিবাচক সমালোচনা পেয়েছে, যা বক্স অফিসে এর পারফরম্যান্সকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

২০২৫ সালের শীর্ষ ওপেনিং ডে কালেকশন

২০২৫ সালের অন্যান্য বড় মুভিগুলোর মধ্যে “ছাবা” (২৯ কোটি), “সিকান্দার” (২৫ কোটি), “হাউসফুল ৫” (২১ কোটি), এবং “রেইড ২” (১৭.৬ কোটি) এর পরই রয়েছে “সিতারে জমিন পার” (১১ কোটি)। এটি “স্কাইফোর্স” (১১ কোটি) এর সমান সংগ্রহ করেছে।

বাজেট ও স্ক্রিন সংখ্যা

“সিতারে জমিন পার” তৈরি হয়েছে ৯০ কোটি রুপি বাজেটে। আমির খান নিজেই এই ছবির প্রযোজকদের মধ্যে একজন। ২০০৭ সালে “তারے জামিন পার” ১৮ কোটি রুপি বাজেটে তৈরি হয়েছিল, যা সেই সময়ের জন্য বিশাল সাফল্য ছিল।

ছবিটি ভারতজুড়ে প্রায় ৩২০০ স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে, যা আগে ১২০০ স্ক্রিনে মুক্তির পরিকল্পনা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

হিট নাকি ফ্লপ?

বক্স অফিস এক্সপার্টদের মতে, ছবিটিকে হিট বলা যাবে যদি এটি ১০০ কোটি রুপি আয় করে। ৯০ কোটি রুপি আয় করলে এটিকে এভারেজ হিসাবে ধরা হবে।

দর্শক ও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকরা ছবিটির গল্প, অভিনয় এবং আমির খানের পরিচালনায় মুগ্ধ হয়েছেন। অনেকেই বলছেন, এটি “তারے জামিন পার” এর মতোই হৃদয়স্পর্শী এবং শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

স্পেনিশ রিমেক থেকে বলিউডে

“সিতারে জমিন পার” মূলত স্পেনের “ক্যাম্পিওনেস” ছবির রিমেক, যা ডিজঅ্যাবিলিটি নিয়ে কাজ করা একটি হাস্যরসাত্মক ও হৃদয়গ্রাহী গল্প। আমির খান এই গল্পকে ভারতীয় প্রেক্ষাপটে সফলভাবে উপস্থাপন করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

             আমির খান আবারও প্রমাণ করলেন যে মানবিক গল্প বলার ক্ষেত্রে তিনি সেরা। “সিতারে জমিন পার” শুধু বক্স অফিসেই নয়, দর্শকদের হৃদয়েও জায়গা করে নেবে বলে আশা করা যায়।